দুদক: আব্বাস দম্পতির বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন ২০মার্চ

প্রকাশিত: ১০ ফেব্রুয়ারী, ২০১৯ ০৬:৪৭:৩৮

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস এবং তাঁর স্ত্রী মহিলা দলের সভানেত্রী আফরোজা আব্বাসের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২০ মার্চ দিন ধার্য করেছেন আদালত।

আজ রোববার ঢাকা মহানগর হাকিম সাইফুজ্জামান শরীফ এ দিন ধার্য করেন।

ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিমের আদালতে আজ মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দিন ধার্য ছিল। কিন্তু মামলা তদন্তকারী কর্মকর্তা প্রতিবেদন দাখিল না করায় বিচারক নতুন দিন ধার্য করেন।

নথি থেকে জানা যায়, মির্জা আব্বাসের স্ত্রী আফরোজার নামে ২০ কোটি ৭৬ লাখ ৯২ হাজার ৩৬৩ টাকার অবৈধ সম্পদ পাওয়া গেছে। আয়কর নথিতে তিনি নিজেকে একজন হস্তশিল্প ব্যবসায়ী হিসেবে বর্ণনা করেছেন। কিন্তু পাসপোর্টের তথ্যে বলা হয়েছে, তিনি একজন গৃহিণী। নিজের আয়ের কোনো বৈধ উৎস তার নেই।

আরো জানা যায়, আফরোজা আব্বাস অবৈধভাবে অর্জিত সম্পদ হস্তান্তর, রূপান্তর ও অবস্থান গোপন করে অসৎ উদ্দেশ্যে দালিলিক প্রমাণবিহীন ভুয়া ঋণ হিসেবে দেখিয়েছেন।

এজাহারে বলা হয়, ১৯৯১ সালের আগে মির্জা আব্বাসের উল্লেখযোগ্য কোনো আয় ছিল না। ঢাকা সিটি করপোরেশনের মেয়র এবং গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী হওয়ার সুবাদে ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে তিনি সম্পদের মালিক হন।

এ ঘটনায় গত ৭ জানুয়ারি দুর্নীতি দমন কমিশনের সহকারী পরিচালক সালাহউদ্দিন রাজধানীর শাহজাহানপুর থানায় মামলা করেন।

।উল্লেখ্য,আব্বাস দম্পতি শুরু থেকেই ব্যাপরগুলো মিথ্য এবং রাজনৌতিক উদ্ধেশ্য প্রণদিত।বলে আসছে।

প্রজন্মনিউজ২৪/দেলাওয়ার হোসাইন

  

 

দুদক: আব্বাস দম্পতির বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন ২০মার্চ

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস এবং তাঁর স্ত্রী মহিলা দলের সভানেত্রী আফরোজা আব্বাসের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২০ মার্চ দিন ধার্য করেছেন আদালত।

আজ রোববার ঢাকা মহানগর হাকিম সাইফুজ্জামান শরীফ এ দিন ধার্য করেন।

ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিমের আদালতে আজ মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দিন ধার্য ছিল। কিন্তু মামলা তদন্তকারী কর্মকর্তা প্রতিবেদন দাখিল না করায় বিচারক নতুন দিন ধার্য করেন।

নথি থেকে জানা যায়, মির্জা আব্বাসের স্ত্রী আফরোজার নামে ২০ কোটি ৭৬ লাখ ৯২ হাজার ৩৬৩ টাকার অবৈধ সম্পদ পাওয়া গেছে। আয়কর নথিতে তিনি নিজেকে একজন হস্তশিল্প ব্যবসায়ী হিসেবে বর্ণনা করেছেন। কিন্তু পাসপোর্টের তথ্যে বলা হয়েছে, তিনি একজন গৃহিণী। নিজের আয়ের কোনো বৈধ উৎস তার নেই।

আরো জানা যায়, আফরোজা আব্বাস অবৈধভাবে অর্জিত সম্পদ হস্তান্তর, রূপান্তর ও অবস্থান গোপন করে অসৎ উদ্দেশ্যে দালিলিক প্রমাণবিহীন ভুয়া ঋণ হিসেবে দেখিয়েছেন।

এজাহারে বলা হয়, ১৯৯১ সালের আগে মির্জা আব্বাসের উল্লেখযোগ্য কোনো আয় ছিল না। ঢাকা সিটি করপোরেশনের মেয়র এবং গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী হওয়ার সুবাদে ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে তিনি সম্পদের মালিক হন।

এ ঘটনায় গত ৭ জানুয়ারি দুর্নীতি দমন কমিশনের সহকারী পরিচালক সালাহউদ্দিন রাজধানীর শাহজাহানপুর থানায় মামলা করেন।

।উল্লেখ্য,আব্বাস দম্পতি শুরু থেকেই ব্যাপরগুলো মিথ্য এবং রাজনৌতিক উদ্ধেশ্য প্রণদিত।বলে আসছে।

প্রজন্মনিউজ২৪/দেলাওয়ার হোসাইন

 

পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন