জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে পাহাড়ে তৎপর আইনশৃঙ্খলা বাহিনী

প্রকাশিত: ০৬ ডিসেম্বর, ২০১৮ ০৬:০০:৩১

জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে পাহাড়ে তৎপর হয়ে উঠেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের দৌরাত্ম্য কমাতে এরই মধ্যে অভিযানে নেমেছে সংশ্লিষ্ট সব প্রশাসন। একই সাথে নির্বাচনকে ঘিরে কোন রকম নাশকতা, সহিংসতার ঘটনা ঘটলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবেনা বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে, রাঙামাটি জেলা প্রশাসক ও রিটানিং কর্মকর্তা একেএম মামুনুর রশিদ। 

তিনি বলেন, রাঙামাটি আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি এখনো স্বাভাবিক রয়েছে। তবে নির্বাচনকে ঘিরে যে কোন নাশকতার ঘটনা এড়াতে তৎপর রয়েছে আইন শৃঙ্খলাবাহিনী। তাছাড়া সম্ভাব্য সব সহিংসতা এড়াতে প্রস্তুত প্রশাসন। 
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার রাতে নাশকতা পরিকল্পনা করার অভিযোগে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি জেএসএসের দুই সদস্যকে আটক করে যৌথবাহিনী। আটককৃতরা হলেন- আলোময় চাকমা (৩৯) ও আনন্দ কুমার চাকমা। শহরের তবলছড়ি এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে নির্বাচনকে সামনে রেখে মোট ৭৩জন উপজাতি যুবককে ভারতের মিজোরামের দেবাছড়ায় এলাকায় সশস্ত্র প্রশিক্ষণ নিতে প্রেরণের অভিযোগ রয়েছে। 
যৌথবাহিনীর সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের শুরু থেকে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি জেএসএসের ৭৩কর্মীকে সশস্ত্র প্রশিক্ষণ নিতে ভারতে মিজোরাম দেবাছড়া সীমান্ত এলাকায় রেখে আসে অভিযুক্ত আলোময় চাকমা ও আনন্দ কুমার চাকমা। এছাড়া আরও  ১৩৭ জনকে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর যুবকে প্রশিক্ষণের জন্য নিয়ে যেতে পরিকল্পনা করছে এমন খবরের ভিত্তিতে অভিযানে যৌথবাহিনীর একটি  বিশেষ দল অভিযানে নামে। পরে রাঙামাটি শহরের তবলছড়ি এলাকা থেকে আলোময় ও আনন্দকে আটক করা হয়। আটকের পর প্রাথর্মীক জিজ্ঞাসাবাদে তারা এ ঘটনার সাথে সম্পৃক্ত বলে স্বীকার করেছে বলে জানান যৌথবাহিনীর একটি সূত্রে। পরে রাঙামাটি কোতয়ালী থানায় তাদের হস্তান্তর করা হয়।

এব্যাপারে রাঙামাটি কোতয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাহিদুল হক রনি এ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, আটককৃতদের বিরুদ্ধে নাশকতা মামলা করা হয়ছে। এ ঘটনার সাথে জড়িতদেরও দ্রুত গ্রেফতার করা হবে। 

 

প্রজন্ম নিউজ/শাহারিয়ার রহমান

পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন