ইস্তেমা মাঠ ও কাকরাইল মসজিদ ভাগের দাবী

প্রকাশিত: ০২ ডিসেম্বর, ২০১৮ ০৬:৫৬:৩০

বাংলাদেশে তাবলীগ জামাতের একটি অংশ বলছে, 'ঢাকার কাকরাইল মসজিদ এবং টঙ্গীর বিশ্ব ইজতেমা ময়দানকে ভাগ করে দেয়াটা' তাবলীগ জামাতের দুটি অংশের মধ্যে বিরাজমান সংঘাতময় অবস্থা নিরসনের অন্যতম উপায় হতে পারে।

ভারতের মাওলানা সাদ কান্দালভি-এর অনুসারী অংশটি বলছে, তাবলীগ জামাতের উভয় অংশের মধ্যে দূরত্ব অনেক বেড়ে গেছে।

মাওলানা সাদ-এর অনুসারী অংশের অন্যতম নেতা রেজা আরিফ বিবিসি বাংলাকে বলেন, "টঙ্গির মাঠটাকে ইজতেমার জন্য দেয়া হয়েছে এবং কাকরাইল মসজিদ তবলীগের জন্য দেয়া হয়েছে। তাহলে টঙ্গির মাঠের সুষ্ঠু বণ্টন হতে পারে। অর্ধেক-অর্ধেক হতে পারে, আবার হয়তো সরকারের হাতে থাকতে পারে টঙ্গির মাঠ। যাদের তবলীগের প্রয়োজন তখন তারা অনুমতি নিয়ে ব্যবহার করতে পারে।"

তিনি বলেন, ইচ্ছে করলেই কাকরাইল মসজিদকে দু'ভাগ করে দেয়া সম্ভব।

"দুটো আলাদা গেইট করা সম্ভব। দুটো আলাদা মসজিদ করাও সম্ভব। যে যার-যার মতো করে ব্যবহার করুক। যখন আমাদের কাকরাইলে থাকার কথা তখন আমরা কাকরাইলে থাকি আর ওরা টঙ্গিতে থাকে। আবার ওদের যখন কাকরাইলে থাকার কথা, তখনও ওরা টঙ্গিতে থাকে। এ অন্যায়গুলোর কারণে আমাদের চাওয়া হচ্ছে টঙ্গি এবং কাকরাইল সম-বণ্টন হয়ে যাক," বলছিলেন মি: আরিফ।

তিনি মনে করেন, 'ইসলামের স্বার্থেই' এ দুটো জায়গা ভাগ করে দেয়া যুক্তিসংগত।

মি: আরিফ যুক্তি তুলে ধরে বলেন, "ইসলামকে নিয়ে মারামারি করা করা, লোক হাসানো, টঙ্গি ময়দান দখল করা - এগুলো যাতে না হয়। অনেক রকম প্রবলেম তৈরি করার চেয়ে দুইদল যদি নিজেদের মতো করে আরামসে করে তাহলে সেটা ভালো নয়?"

কিন্তু মাওলানা সাদ কান্দালভির বিরোধী অংশ বলছে, মসজিদ কিংবা ইজতেমা ময়দান ভাগ করার কোন প্রশ্নই উঠেনা।

মাওলানা সাদ বিরোধী অংশের একজন নেতা মাহফুজ হান্নান বলেন, " এটা তো মৃত ব্যক্তির সন্তানদের মধ্যে সম্পত্তি ভাগ করার মতো কোন বিষয় না। তাছাড়া তারা ( সাদ অনুসারী) তো এখন আর মূল তাবলীগ জামাতে নেই। সেজন্য ওনারা কিছুই পাবেন না।"

প্রজন্ম নিউজ/শাহারিয়ার রহমান

পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন





ব্রেকিং নিউজ