কোটা সংস্কার নিয়ে কিছু কথা

প্রকাশিত: ০৯ অক্টোবর, ২০১৮ ০৪:০৩:০৩

রাজকেুজ্জামান রতন : আন্দোলন ছিলো কোটা সংস্কারের। একটি দেশের  অনগ্রসর জনগোষ্ঠিদের এগিয়ে আনার জন্য বিশেষ প্রয়োজনে কোটা ব্যবস্থাটা আরোপ করা হয়ছেলিো। যারা দেশের জন্য যুদ্ধ করছেলিো তাদের প্রতি এবং তাদরে পরিবারের সদস্যদের প্রতি সম্মান দেখানোর জন্যই কোটার একটি অংশ তাদরে সন্তানদের জন্য রাখা হয়েছিলো। এবং একটি মহৎ উদ্দেশ্য নিয়ে আমাদের কোটা ব্যবস্থা চালু হয়েছিল। যদিও  আমাদের সংবিধানে রয়েছে অনগ্রসর এবং পিছিয়ে পড়া মানুষদের মূল ধারায় ফিরিয়ে আনার জন্য রাষ্ট্রীয়  সহযোগিতা হিসেবে ভূমিকা পালন করতে হব।কিন্তু কোটাটা আমাদরে একটি অংশের মানুষের কাছে কখনো কখনো ফ্রি পাওয়ার বিষয়ে পরিণত হয়েছিলো।

যার জন্য শিক্ষার্থীদের মধ্যে এক ধরনের ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।এবং সেই ২০১০ সাল থেকে বিভিন্নভাবে আন্দোলন হয়ে আসছিলো যা ২০১৮ সালে এসে এই বিশাল আন্দোলনে রুপ নিয়েছিল। আমরা ভেবেছিলাম কোটার একটি যৌক্তিক সমাধান হবে। র্অথাৎ যৌক্তিকভাবে কোটা সংস্কার করা হবে। কিন্তু অনগ্রসর যারা আছে তারা যেন আমাদের মূল ধারার সাথে এগিয়ে আসতে পারে সে ক্ষেত্রে রাষ্ট্র তার সহযোগিতা অব্যাহত রাখতে হবে। কিন্তু আমরা দেখলাম কোটা সংস্কারের পরিবর্তে বাতিল করে দেওয়া হয়েছে। যার ফলে নতুন একটি জটিলতা দেখা দিয়েছে। এবং বলা হলো যদি কেউ কোটা চান তাহলে  আন্দোলন করুন। ফলে একদিকে কোটা সংস্কারের একটি বিশাল আন্দোলন ছিলো। এবং অপরদিকে কোটা বাতিল করে দেওয়ায় মুক্তিযোদ্ধার সন্তানরা আন্দোলন করছে।

আমরা মনে করি, কোটাটা যৌক্তিক সমাধানের দিকে হাটছে না। শিক্ষারর্থীদের যে একটি দাবি ছিলো তা বিবেচনা করে সকলের মতামতের ভিত্তিতে একটি গ্রহণযোগ্য সমাধানে আসতে হবে। আমাদের অনেক মুক্তিযোদ্ধা রয়েছেন যারা ভুয়া কিংবা জাল সনদের মাধ্যমে মুক্তিযোদ্ধা্ হিসেবে সুবিধা নিচ্ছেন। অপর দিকে বিভিন্ন পত্রপত্রিকায আসল আসল মুক্তিযোদ্ধার সন্তানরা দারিদ্রভাবে জীবনযাপন করছে। তাই আমরা মনে করি, মুক্তিযোদ্ধারা যেভাবে বিশ্বের দরবারে আমাদের মাথা উঁচু করতে শিখিয়েছে তেমনি তাদেরকে সম্মান দেওয়া উচিত। তাদের সম্মানের কথা চিন্তা করে কোটার সংস্কারের সমাধানের পথে আমাদের এগিয়ে আসা উচিত।

পরিচয় : কেন্দ্রিয় কমিটির সদস্য, বাসদ

প্রজন্মনিউজ২৪/রাকিব/এম বিল্লাহ

পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন





ব্রেকিং নিউজ