মহামারি ধর্ষণের কারণ ও প্রতিকার

প্রকাশিত: ০৫ অগাস্ট, ২০১৭ ০৬:২০:০৫

ইসমাইল হোসেন পাটোয়ারী: ধর্ষন মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়েছে আমাদের সমাজে।প্রতিদিনই অসংখ্য শিশু এবং নারী ধর্ষিত হচ্ছে।যা এভাবে চলতে থাকলে সামজিক কাঠামো ধ্বংস হওয়া নিশ্চিত। ধর্ষণ এর ব্যাপারে সচেতন হওয়া খুবই জরুরী।

ধর্ষনের মূল কারন গুলো হলো

নগ্নতা, অতৃপ্ত যৌন আকাঙ্খা, বেহায়াপনা, অবাধ যৌনাচার, রাস্তার পাশে দেয়ালে নগ্ন পোস্টার, ফুটপাতে অশ্লীল ছবি সম্বলিত যৌন উত্তেজক অবৈধ বইয়ের রমরমা ব্যবসা, অশ্লীল পত্রপত্রিকা, অশ্লীল ছায়াছবি প্রদর্শন, ব্লু-ফিল, বাংলা চলচ্চিত্রে খলনায়ক কর্তৃক নারীকে জোরপূর্বক ধর্ষণের দৃশ্যের মাধ্যমে সমাজে রাস্তাঘাটে বাস্তবে ধর্ষণ করার উৎসাহ যোগান, ইন্টারনেটে অশ্লীল সাইটগুলো উম্মুক্ত করে দেয়া, প্রেমে ব্যর্থতা, টুয়েনটি প্লাস চ্যানেলে নীল ছবি প্রদর্শন ইত্যাদি কারণে আজ যুবসমাজের মধ্যে দিন দিন ধর্ষণ প্রবণতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। ধর্ষণের আরো একটি উল্লেখযোগ্য কারণ হচ্ছে বিয়ের বয়স পেরিয়ে গেলেও ছেলে-মেয়েকে বিয়ে দেয়ার ব্যাপারে অভিভাকদের উদাসীনতা। 

একাকিত্ব বোধ, অক্ষমতাবোধ, রাগ, অপমানজনক অনুভূতি, হতাশা, ব্যর্থতা বা ব্যক্তিজীবনে কষ্ট, অপ্রাপ্তি এসব থাকলে ধর্ষণের আকাক্সক্ষা বৃদ্ধি পায়।

কোনো মেয়ে প্রেমে বা বিয়ের আগে যৌন সম্পর্কে রাজি না হলে মেয়েটির ‘না’- কে সহ্য করতে না পেরে রেপ করে।

সাইকোপ্যাথিক ব্যক্তিত্বের অধিকারী লোকেরা রেপ করে। ধারাবাহিক রেপের কারণও এটি।

মাদকাসক্তি মানুষের স্বাভাবিক বিবেচনাবোধ লোপ করে। এটিও রেপের আরেকটি কারণ।

ক্ষমতাশীল ব্যক্তি সুযোগ পেয়ে কোনো দুর্বল মেয়ে, শিশু বা ছেলের ওপর ক্ষমতার প্রয়োগ ঘটায় রেপের মাধ্যমে।

 

ধর্ষণের প্রতিকার

আমাদের মন-মানসিকতা ঠিক করতে হবে l

পরিবারের উচিত, এ রকম যে কোনো জঘন্য অপরাধ গোপন না করে অপরাধীদের শাস্তি নিশ্চিত করা। 

কঠোর আইন প্রয়োগ করে ধর্ষকদের উপযুক্ত শাস্তি দিতে হবে।

অশ্লীল পত্রপত্রিকা ও বইয়ের ব্যবসা বন্ধ করতে হবে।

 ছেলে-মেয়েদেরকে যথাসময়ে বিয়ের ব্যবস্থা করতে হবে।

কে ক্ষমতাবান বা ক্ষমতাধর , তাদের কেও আইন এর চোখে একজন সাধারণ মানুষ এর সমান রাখতে হবে l যাতে অপরাধ করে  সহজে বের হয়ে আসতে না পারে।

প্রজন্মনিউজ২৪.কম/ইসমাইল

পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন



আরো সংবাদ